দেশে ব্যাংক খাতের যত আমানত তার প্রায় ৬ শতাংশই নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর। পাশাপাশি ব্যাংকগুলো যে ঋণ দিয়েছে, তার প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ দিয়েছে নতুন প্রজন্মের এসব ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০১৩ সালে অনুমোদন পাওয়া ৯টি ব্যাংক চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। আর ২০১৩ সালের পর অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের এসব ব্যাংক সাধারণভাবে ব্যাংক খাতে নতুন প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সাল ও তার পর কার্যক্রম শুরু করা ব্যাংকগুলো দ্রুততম সময়ে শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ব্যাংক সম্মিলিতভাবে এরই মধ্যে ৫০ লাখের বেশি গ্রাহক তৈরি করেছে।
তবে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদনের তকমার কারণে এসব ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে আশানুরূপ সাফল্য এখন পর্যন্ত দেখাতে পারেনি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।