নারীরা কেবল পুরুষতন্ত্রের ভুক্তভোগীই নন, কখনো একই সঙ্গে এ ব্যবস্থার পুনরুৎপাদকও হয়ে উঠছেন সময়ের পরিক্রমায়। তবে পুরুষের মতো সরাসরি সহিংসতার আশ্রয় না নিলেও অন্য নারীদের ওপর পুরুষতন্ত্রের তথাকথিত রীতিনীতি চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বা নারীর প্রতি সহিংসতাকে উপেক্ষা করার মাধ্যমে আলো-বাতাস দিয়ে ঠিক বাঁচিয়ে রাখেন পুরুষতন্ত্রের বিষবৃক্ষকে।
লিখেছেন উম্মে ওয়ারাআমাদের সমাজ যেভাবে শৈশব থেকেই ছেলেদের ‘রাগী’, ‘পুরুষ’ বা ‘আবেগহীন’ হতে শেখায়, তা কীভাবে একসময় তাদের ‘টক্সিক মাস্কুলিনিটি’ বা ‘বিষাক্ত মর্দানি’তে রূপ নেয়—তা আমাদের সবারই জানা।
সমাজ তাদের ক্রমাগত শেখায়, পুরুষত্ব প্রমাণের তরিকা হলো রাগারাগি-মারামারি করা, নারীর ওপর নিজের কর্তৃত্ব প্রমাণ করা এবং মানবিক গুণগুলো দমিয়ে রেখে কিংবা ধ্বংস করে কেবল ‘পুরুষ’ হিসেবে আমৃত্যু বেঁচে থাকা।নারীদের গায়ে হাত তোলার পর কীভাবে পুরুষেরা নিজেদের অপরাধকে ‘ন্যায্য’ কিংবা ‘ধর্মসম্মত’ হিসেবে জাহির করতে নানামুখী ফন্দিফিকির করে—তা নিয়ে আমরা বারবার আলোচনা করেছি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।