জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এ সময় অনুষ্ঠানে আসা অতিথি ও শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে একসঙ্গে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। আজ রোববার সকালে মুন্সিগঞ্জ শহরের উত্তর ইসলামপুরের ইদ্রিস আলী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠে
ফৌজিয়া খান নাফিজার কাছে গত শনিবারের রাতটা যেন কাটতেই চাইছিল না। কখনো ঘুম আসছিল, কখনো ভেঙে যাচ্ছিল। সকাল হতে না হতেই বাবাকে তাড়া দিয়ে ঘুম থেকে তুলে প্রস্তুত হয়ে যায় সে। এরপর বাবার সঙ্গে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মুন্সিগঞ্জে আসে প্রথম আলোর জিপিএ-৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।ফৌজিয়ার বাবা ফৌজিয়া হাসান বলেন, লৌহজং উপজেলার খানবাড়ি এলাকা থেকে তাঁর সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চড়ে মুন্সিগঞ্জে আসে তাঁর মেয়ে।
এরপর বন্ধুদের সঙ্গে হইহুল্লোড় ও সেলফি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে সে। মেয়ে কয়েক দিন ধরেই অনুষ্ঠান নিয়ে খুব আবেগাপ্লুত ছিল। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেই প্রস্তুত হয়েছে। অন্য দিন আমি ওকে ঘুম থেকে ডেকে তুলি, আজ মেয়ে আমাকে ঘুম থেকে তোলে।শুধু ফৌজিয়া খান নয়, তার মতো প্রায় ৪০-৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সিরাজদিখান থেকে অর্ক রাজবংশী ও আনন্দ এবং গজারিয়া থেকে মেঘনা ও ফুলদী নদী পাড়ি দিয়ে নাঈম ইসলাম অনুষ্ঠানে আসে।
এ সংবর্ধনা ছিল তাদের জন্য স্বপ্নের, উচ্ছ্বাসের।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।