ভারতের একটি কোম্পানির কার্যালয়ে একটি রোবটের পাশে একজন কর্মী
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে চাকরির ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে শ্রমবাজারে নতুন প্রবেশ করা তরুণদের নিয়ে আশঙ্কা বেশি।
কারণ, এআই এখন কম্পিউটার কোড লেখা, নথি সংক্ষেপ করা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং গ্রাহকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়াসহ যেসব কাজ করতে পারছে, সেগুলোই অনেক তরুণের কর্মজীবনের শুরুর দিকের কাজ।তবে এআই খাতের কয়েকজন নেতা দাবি করছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই শুরুর পর্যায়ের সাদা কলারের অধিকাংশ চাকরি বিলীন হয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত তার পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই। কিছু প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরিতে এআইয়ের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। কিন্তু তা সীমিত ও অসম।
পুরো অর্থনীতিতে ব্যাপক চাকরি হারানোরও স্পষ্ট লক্ষণ নেই।যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এআইয়ের সংস্পর্শে থাকা কাজের কারণে সামগ্রিক কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।